মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: তরুণদল সভাপতিসহ ২ জন গ্রেপ্তার, সারাদেশ, পাংশা ধর্ষণ কেস, ধর্ষণ মামলা,
গ্রেপ্তার হওয়া পাংশা পৌর তরুণদলের সভাপতি হাসিবুর রহমান অন্তর ও মো. বরকত মুন্সী।   ছবি: আরটিএনএন

রাজবাড়ীর পাংশায় মাইক্রোবাসে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট তিনজন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—পাংশা উপজেলার কুলাটিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমান রাজার ছেলে ও পাংশা পৌর তরুণদলের সভাপতি হাসিবুর রহমান অন্তর (৪০) এবং পারনারায়নপুর গ্রামের মো. তায়জাল মুন্সির ছেলে মো. বরকত মুন্সী (৩৪)।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মার্চ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হাসিবুর রহমান অন্তর, মো. বরকত মুন্সীসহ অপর আসামিরা পাংশা মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য অপেক্ষমাণ এক নারীকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে ওই নারীকে অসুস্থ অবস্থায় কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকায় ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী নিজেই পাংশা মডেল থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। এর আগে গত ৩১ মার্চ রাতে মামলার ২ নম্বর আসামি রাশেদুজ্জামান ওরফে রাশেদ (৪০) কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে বাকি দুই আসামি আত্মগোপনে ছিল। পরে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলা থেকে ওই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

র‌্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামি হাসিবুর রহমান অন্তর ও বরকত মুন্সীকে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় কুষ্টিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের পাংশা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”

উল্লেখ্য, গত ৩০ মার্চ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভুক্তভোগী নারী পাংশা মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করছিলেন। এ সময় আসামিরা একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে থাকে এবং পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে রাত ৭টার দিকে কুষ্টিয়া সদর থানার একটি ফাঁকা স্থানে তাকে নামিয়ে দিয়ে তারা চলে যায়।