রাজশাহীর পবাতে  নওহাটা সালেহিয়া দারুস সুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসায় কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ এনে প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন  এলাকাবাসী।
রাজশাহীর পবাতে নওহাটা সালেহিয়া দারুস সুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসায় কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ এনে প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।   ছবি: আরটিএনএন

রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা সালেহিয়া দারুস সুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসায় কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ এনে প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন চাকরিপ্রার্থী ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় মাদ্রাসার সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধন থেকে অধ্যক্ষকে অপসারণসহ তিন দফা দাবি জানানো হয়।

জানা গেছে, মাদ্রাসার কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইসমাইল হোসেনের মেয়ে ফৌজিয়া শাবনুরকে এবং ল্যাব সহকারী পদে মরিয়ম খাতুনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি লোকচক্ষুর আড়ালে ও সম্পূর্ণ গোপনে সম্পন্ন করা হয়েছে।

ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা জানান, এর আগে অনুষ্ঠিত একটি নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে তাদের ব্যাংক ড্রাফট ফেরত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে গোপনে এই নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়।

নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্ময়কর তথ্য দিয়েছেন নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মশিউর রহমান। তিনি দাবি করেন, এই নিয়োগের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না এবং এ সংক্রান্ত কোনো নথিতে তিনি স্বাক্ষরও করেননি। তার এ বক্তব্যে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

মানববন্ধনকারীরা অবিলম্বে এই নিয়োগ বাতিল, অভিযুক্ত অধ্যক্ষ আলতাফ উদ্দীনকে অপসারণ এবং বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলতাফ উদ্দীন। তিনি বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়নি; সম্পূর্ণ নিয়ম-নীতি মেনে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।