বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ কে হচ্ছেন—এ প্রশ্ন ঘিরে আলোচনা-জল্পনা এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে হামজা চৌধুরী ও জামাল ভূঁইয়াদের পরবর্তী হেড কোচ হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের পরিচিত কোনো নাম আসছেন কি না, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ বাড়ছেই। এ পরিস্থিতিতে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে বৈঠকের পর কোচ নিয়োগ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
আজ (১৫ মে) সকালে প্রথম বিভাগ ব্যাডমিন্টন লিগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানে ফুটবল দলের কোচ নিয়োগ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত রাতেও বাফুফে সভাপতির সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে এবং আগামী দুই বছরের আন্তর্জাতিক সূচি ও বাস্তবতা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফুটবলকে কেন্দ্র করে মানুষের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটি পূরণ করা জরুরি। সরকার, আমি এবং ফুটবল ফেডারেশন সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি। সবকিছু বিশ্লেষণ করে আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে বলে আশা করছি।’
বাংলাদেশ দলের কোচ হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন ওয়েলসের সাবেক কোচ ক্রিস কোলম্যান। গ্যারেথ বেলের মতো তারকাকে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা থাকা কোলম্যানকে ঘিরে সমর্থকদের আগ্রহও বেশি। তবে তাকে ও তার কোচিং স্টাফকে আনতে মাসে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে বলে জানা গেছে।
এমন ব্যয়বহুল কোচ বাংলাদেশের বর্তমান ফুটবল বাস্তবতায় কতটা কার্যকর হবেন, তা নিয়েও আলোচনা চলছে ফুটবলাঙ্গনে। দেশের অবকাঠামো, ক্লাব ফুটবল ও জেলা পর্যায়ের সীমাবদ্ধতার মধ্যে এত বড় বিনিয়োগ কতটা যৌক্তিক—সেই প্রশ্নও উঠছে।
এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য এড়িয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে। খেলাধুলায় রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়। কোনো কোচকে সময় দিতে হবে, তারপরই তার কাছ থেকে ফল প্রত্যাশা করা যেতে পারে। নতুন যিনি কোচ হবেন, তাকেও নির্দিষ্ট সময় দিতে হবে।’
জানা গেছে, কোলম্যানের সম্ভাব্য বেতনের অর্ধেক বহন করবে বাফুফে এবং বাকি অংশ দেবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। তবে দুই বছরের চুক্তির বিপরীতে প্রয়োজনীয় অর্থসংস্থান নিশ্চিত করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও আলোচনা করার পরিকল্পনা রয়েছে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর।
তবে কোলম্যানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে বাফুফেকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো কারণে তিনি না এলে সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা অন্য কোচদের মধ্য থেকে জার্মান কোচ ব্রেন্ড স্টোকসকে বিবেচনা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে ক্রীড়াবিদদের ভাতা কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, ইতোমধ্যে ৩০০ ক্রীড়াবিদকে এক লাখ টাকা করে ভাতা দেওয়া হচ্ছে এবং আগামী অর্থবছরে আরও ২০০ জনকে এর আওতায় আনা হবে।
আগামী বাজেটে ক্রীড়াঙ্গনের বরাদ্দ বাড়ানোর ইঙ্গিতও দিয়েছেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘বর্তমান বাজেট একেবারেই অপ্রতুল। ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে হলে পরিকল্পনা অনুযায়ী বাজেট বাড়ানো প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!