বিশ্বকাপের আগে স্বস্তির খবর পেল আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপের আগে স্বস্তির খবর পেল আর্জেন্টিনা।   ছবি: ইএসপিএন

বিশ্বকাপের আগে স্বস্তির খবর পেল আর্জেন্টিনা। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে লাল কার্ড দেখায় নিকোলাস ওতামেন্দিকে নিয়ে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, ফিফার নতুন নিয়মে সেটি কেটে গেছে। ফলে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে অভিজ্ঞ এই ডিফেন্ডারকে পাচ্ছে লিওনেল স্কালোনির দল।

গতকাল শুক্রবার (৮মে) ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে পাওয়া লাল কার্ড বা সংশ্লিষ্ট  নিষেধাজ্ঞা আর মূল বিশ্বকাপের ম্যাচে বহাল থাকবে না। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ও ছয়টি মহাদেশীয় ফুটবল সংস্থার প্রতিনিধিদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘একটি হলুদ কার্ড কিংবা সম্ভাব্য এক বা দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় বহাল থাকবে না। এতে দলগুলো তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড নিয়ে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে।’

গত সেপ্টেম্বরে বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১–০ গোলে হেরেছিল আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচেই লাল কার্ড দেখেছিলেন ওতামেন্দি। ফলে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তাকে না পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে নতুন নিয়মে সেই শঙ্কা আর থাকছে না।

একই স্বস্তি পেয়েছে ইকুয়েডরও। ওই ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল ময়েসেস কাইসেদোকেও। তাকেও আর বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নিষেধাজ্ঞা কাটাতে হবে না।

এর আগে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনায় ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আয়ারল্যান্ডের এক খেলোয়াড়কে কনুই মারার ঘটনায় তিন ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় পড়েছিলেন পর্তুগিজ তারকা। পরে ফিফা সেই নিষেধাজ্ঞার দুই ম্যাচ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। ইতিমধ্যে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা তিনি ভোগ করেছেন।

আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় শুরু হবে ২০২৬ বিশ্বকাপ। ১৬ জুন কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা। সব ঠিক থাকলে এটিই হবে ৩৮ বছর বয়সী ওতামেন্দির চতুর্থ বিশ্বকাপ।

এদিকে ইকুয়েডর নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ১৪ জুন, প্রতিপক্ষ আইভরি কোস্ট। ওতামেন্দি ও কাইসেদোর মতো নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেয়েছেন কাতারের ডিফেন্ডার তারেক সালমানও।

বিশ্বকাপের আগে হলুদ কার্ডের নিয়মেও পরিবর্তন এনেছে ফিফা। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপ পর্ব শেষে খেলোয়াড়দের একটি হলুদ কার্ডের রেকর্ড মুছে যাবে। একইভাবে কোয়ার্টার ফাইনালের পর আবার হলুদ কার্ডের হিসাব শূন্য করা হবে। এতে গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচে খেলোয়াড়দের নিষেধাজ্ঞায় পড়ার ঝুঁকি কমবে।