একসময় ফুটবল দুনিয়ায় শোনা যেত ‘নতুন পেলে’ বা ‘নতুন ম্যারাডোনা’র আগমনী বার্তা। পরে সেই জায়গা দখল করেন ‘নতুন মেসি’ ও ‘নতুন রোনালদো’। সময়ের পরিক্রমায় এখন আলোচনায় ‘নতুন হালান্ড’। মিসর থেকে উঠে আসা এক তরুণকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এই নতুন উপমা—তাঁকে বলা হচ্ছে ‘ইজিপশিয়ান হালান্ড’।
এই তরুণের নাম হামজা আবদেলকরিম। তিনি খেলেন বার্সেলোনার অনূর্ধ্ব–১৯ দলে। রোববার (২ মে) স্প্যানিশ ইয়ুথ অনার ডিভিশনে মন্টে কার্লোর বিপক্ষে ৯–০ গোলের বড় জয়ে আলো ছড়ান হামজা। ম্যাচে তাঁর তিনটি গোলই এসেছে হেড থেকে, যা বিশেষভাবে নজর কাড়ে।
ইতিমধ্যে অনূর্ধ্ব–১৯ লিগের শিরোপা নিশ্চিত করেছে বার্সা। এখন তাদের লক্ষ্য বয়সভিত্তিক চ্যাম্পিয়নস কাপ, যেখানে দলটি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে যাত্রা শুরু করবে। মৌসুমের বাকি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে ৬ ফুট ১ ইঞ্চি উচ্চতার হামজার ওপরই থাকবে বিশেষ নজর।
১৮ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার গত ১ ফেব্রুয়ারি মিসরের ক্লাব আল আহলি থেকে ধারে বার্সেলোনায় যোগ দেন। চুক্তি অনুযায়ী, মৌসুম শেষে প্রায় ২০ লাখ ইউরোতে তাঁকে স্থায়ীভাবে দলে ভেড়ানোর সুযোগ রয়েছে কাতালান ক্লাবটির। শুরুতে প্রশাসনিক জটিলতা ও চোটের কারণে কিছুটা পিছিয়ে পড়লেও, মাঠে ফিরেই নিজের সামর্থ্যের জানান দিচ্ছেন হামজা।
বার্সার বয়সভিত্তিক দলে এখন পর্যন্ত তাঁর করা চারটি গোলই এসেছে হেড থেকে। এই দুর্দান্ত হেডিং দক্ষতার কারণেই অনেকেই তাঁর তুলনা টানছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আরলিং ব্রাউট হালান্ডের সঙ্গে। মিসর থেকে উঠে আসায় তাঁকে মোহাম্মদ সালাহর দেশের ‘নতুন প্রতিভা’ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
হামজা মূলত ক্লাসিক ‘নাম্বার নাইন’ ধরনের স্ট্রাইকার। বাঁ পায়ের খেলোয়াড় হলেও ডিফেন্ডারদের ব্যতিব্যস্ত রাখার ক্ষমতা তাঁর আছে। বক্সের ভেতরে তাঁর উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি কার্যকর, আর ফিনিশিং দক্ষতাই তাঁর বড় শক্তি। পায়ের পাশাপাশি মাথাতেও সমান পারদর্শিতা দেখিয়ে ইতিমধ্যেই নিজেকে আলাদাভাবে চিনিয়েছেন এই তরুণ।
সব মিলিয়ে, ইউরোপীয় ফুটবলে নতুন এক সম্ভাবনার নাম হয়ে উঠছেন হামজা—যাকে ঘিরে প্রত্যাশার পারদ ক্রমেই বাড়ছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!