বৃষ্টির আগে ৬.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশের রান ছিল ৫০। বৃষ্টিতে ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে আসে ১৫ ওভারে। বাকিটা সময় ধুমধারাক্কা পিটিয়ে যতটা সম্ভব রান তুলে নেওয়াই টাইগারদের জন্য স্বাভাবিক হতো। কিন্তু নিউজিল্যান্ড তাদের থামিয়ে দিল মাত্র ১০২ রানে।
বৃষ্টির পর ৭ উইকেট হাতে নিয়ে বাংলাদেশ তুলতে পেরেছে আর মাত্র ৫২ রান। সব কটি ওভার টেকাও হয়নি তাদের, জশ ক্লার্কসন, বেন সিয়াসদের তোপে ৪ বল বাকি থাকতেই অলআউট হয়েছে। এতে ওয়ানডে সিরিজ জেতা বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের পথে বড় ধাক্কাই খেল।
লিটন দাসরা চট্টগ্রামে প্রথম ম্যাচে কিউইদের ৬ উইকেটে হারিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায়। আর ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলিয়ে হওয়া ওয়ানডে সিরিজটি জিতেছিল ২-১ ব্যবধানে।
বৃষ্টির পর লিটন ২৫ ও হৃদয় ২ রান নিয়ে নেমেছিলেন। হৃদয় আরও ৩১ রান করলেও দলপতি ২৬ রানে সাজঘরে ফেরেন। তার ১৭ বলে ইনিংসটিতে ছিল একটি ছয় ও ৩টি চারের মার। ওপেনিংয়ে নামা সাইফ হাসান করেন তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৬ রান। বাকিদের কেউ দশের ঘর পার হতে পারেননি।
সাইফ জেডেন লেনক্সের অফ স্টাম্পের বাইরে ঝুলিয়ে দেয়া বলে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে শট খেলতে চেয়েছিলেন। টাইমিং ঠিকঠাক না হওয়ায় ধরা পড়েন টিম রবিনসনের হাতে। এরপর নাথান স্মিথের পরপর দুই বলে সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন। ১০ বলে ৬ রান করে নাথান স্মিথের বলে বোল্ড হন তানজিদ। পরের বলেই ইমন আপার কাট খেলতে পারেননি। থার্ড ম্যানে দাঁড়িয়ে থাকা ইশ সোধি সহজ ক্যাচ নিলে ইমন গোল্ডেন ডাক মেরে ফিরে যান।
এই রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত নিউ জিল্যান্ডের সংগ্রহ ২ উইকেট হারিয়ে ১২ রান
২ টি উইকেট ই শিকার করেন শরিফুল ইসলাম
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!