১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর–কিশোরীদের নিয়ে সারা দেশে আটটি খেলায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর–কিশোরীদের নিয়ে সারা দেশে আটটি খেলায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।   ছবি: সংগৃহীত

যুবসমাজকে ক্রীড়ামুখী করা এবং মেধাবী খেলোয়াড় গড়ে তুলতে সরকার ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ নামে একটি কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে। নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আড়াই মাসের মধ্যেই এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বুধবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর–কিশোরীদের নিয়ে সারা দেশে আটটি খেলায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। খেলাগুলো হলো—ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে চূড়ান্ত পর্ব।

আগামী ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করবেন এবং একই সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলা স্টেডিয়ামে থাকা অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হবেন।

এ পর্যন্ত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এ নিবন্ধন করেছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৯ জন কিশোর–কিশোরী। এর মধ্যে কিশোর ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৪৬ জন এবং কিশোরী ৪৪ হাজার ১৩৩ জন। সর্বোচ্চ অংশগ্রহণকারী রয়েছে সিলেট জেলায়—১৫ হাজার ৩২৪ জন।

চূড়ান্ত পর্ব শেষে মেধাবী ও সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জানান, যোগ্যদের বিকেএসপিতে ভর্তি করা হবে এবং ক্রীড়া বৃত্তির আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, সাভারের বিকেএসপির মূল ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় আঞ্চলিক বিকেএসপিগুলোর সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে স্থানীয় পর্যায়েই প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা প্রশিক্ষণের সুযোগ পায়।

প্রতিভা বাছাইয়ে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এবং খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে তিনি বলেন, বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য মেডিক্যাল টিম রাখা হবে।

এর আগে প্রতিভা অন্বেষণের নামে বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগ থাকলেও সমন্বয়ের অভাবে কাঙ্ক্ষিত ফল আসেনি বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কাজ করা হবে।