ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের দুই পরাশক্তি প্যারিস সঁ জার্মেই (পিএসজি) ও বায়ার্ন মিউনিখ উপহার দিল এক অবিশ্বাস্য লড়াই।
ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের দুই পরাশক্তি প্যারিস সঁ জার্মেই (পিএসজি) ও বায়ার্ন মিউনিখ উপহার দিল এক অবিশ্বাস্য লড়াই।   ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের দুই পরাশক্তি প্যারিস সঁ জার্মেই (পিএসজি) ও বায়ার্ন মিউনিখ উপহার দিল এক অবিশ্বাস্য লড়াই। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ-এর সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ৯ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ৫–৪ ব্যবধানে জিতে ফাইনালের পথে এগিয়ে গেল পিএসজি।

পার্ক দে প্রিন্সেস-এ অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল আক্রমণ–পাল্টা আক্রমণের ঝড়। শুরুতে পেনাল্টি থেকে গোল করে বায়ার্নকে এগিয়ে নেন হ্যারি কেইন। তবে দ্রুতই ম্যাচে ফেরে পিএসজি এবং এক পর্যায়ে ৫–২ ব্যবধানে এগিয়েও যায় স্বাগতিকরা। শেষ দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ব্যবধান ৫–৪-এ নামিয়ে আনে বায়ার্ন, ফলে দ্বিতীয় লেগের আগে আশা বাঁচিয়ে রাখে তারা।

ম্যাচের শুরুতেই পাল্টা আক্রমণে পেনাল্টি পায় বায়ার্ন। স্পটকিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন কেইন। এই গোলের মাধ্যমে তিনি বায়ার্নের হয়ে টানা পাঁচটি নকআউট ম্যাচে গোল করার কীর্তি স্পর্শ করেন।

২৪ মিনিটে সমতায় ফেরে পিএসজি। খভিচা কাভারাতসখেলিয়া দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন। এরপর জোয়াও নেভেস হেডে গোল করে পিএসজিকে এগিয়ে দেন। বিরতির আগে একক প্রচেষ্টায় গোল করে বায়ার্নকে ম্যাচে ফেরান মাইকেল অলিসে। তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে পিএসজিকে আবারও এগিয়ে দেন উসমান দেম্বেলে

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ায় পিএসজি। আশরাফ হাকিমি-এর পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কাভারাতসখেলিয়া। এর দুই মিনিট পর দেম্বেলের শটে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৫–২। এরপরও লড়াই ছাড়েনি বায়ার্ন। জোশুয়া কিমিখ-এর ফ্রি-কিক থেকে হেডে গোল করেন দায়োত উপামেকানো। পরে কেইনের পাস থেকে গোল করে ব্যবধান কমান লুইস দিয়াজ

শেষ দিকে দুই দলই আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান আর বাড়েনি। ফলে ৫–৪ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে পিএসজি।

এই ম্যাচে সেমিফাইনালের ইতিহাসে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ড গড়ে দুই দল। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ৭ গোল। আগামী সপ্তাহে মিউনিখে দ্বিতীয় লেগে নির্ধারিত হবে কোন দল খেলবে ফাইনালে। তবে প্রথম লেগের এই নয় গোলের লড়াই ইতিমধ্যেই সমর্থকদের স্মৃতিতে জায়গা করে নিয়েছে।