ম্যানইউর ধাক্কায় চেলসির স্বপ্নে শঙ্কা, রেলিগেশন শঙ্কায় টটেনহাম,
১-০ গোলে হেরেছে চেলসি।   ছবি: সংগৃহীত

চেলসির চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার আশায় বড় ধাক্কা খেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কাছে হেরে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ১-০ গোলে হেরেছে লন্ডনের ক্লাবটি। একই দিনে ইনজুরি টাইমে গোল হজম করে রেলিগেশন জোনে নেমে গেছে টটেনহাম হটস্পার।

সাম্প্রতিক সময়ে বাজে ফর্মে থাকা চেলসি সাত ম্যাচে দেখল ষষ্ঠ হার। পুরো ম্যাচে লক্ষ্যে তাদের ছিল মাত্র একটি শট, সেটিও কাজে লাগাতে পারেনি দলটি। 

অন্যদিকে একমাত্র কার্যকর আক্রমণ থেকেই গোল পায় ইউনাইটেড। ম্যাথুস কুনিয়ার  সেই গোলেই জয় নিশ্চিত হয় সফরকারীদের। এর ফলে ১৯৯৮ সালের মার্চের পর প্রথমবার টানা চার প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে গোল না করেই হারল চেলসি।

এই হারে লিগ টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে আছে চেলসি। পাঁচে থাকা লিভারপুলের  চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলে চার পয়েন্ট পিছিয়ে তারা। ম্যাচ শেষে চেলসির কোচ লিয়াম রেজোনিয়ার বলেন, এই হার তাদের সামনে ‘পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ’ তৈরি করেছে। ব্রাইটনের বিপক্ষে পরের ম্যাচকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ হিসেবেই দেখছেন তিনি।

অন্যদিকে এই জয়ে বেশ স্বস্তিতে ইউনাইটেড শিবির। কোচ মাইকেল ক্যারিক সন্তুষ্ট দলের পারফরম্যান্সে। ইনজুরি ও নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও খেলোয়াড়দের মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতার প্রশংসা করেন তিনি। ৩৩ ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে উঠে এসেছে দলটি এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার পথ অনেকটাই পরিষ্কার করেছে।

এদিকে নাটকীয় ড্রয়ে বিপদ বেড়েছে টটেনহামের। ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ আলবিয়নের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে তারা। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে বদলি হিসেবে নেমে জর্জিনিও রুটার গোল করে ব্রাইটনকে সমতায় ফেরান।

এর আগে জাভি সিমন্স গোল করে টটেনহামকে জয়ের খুব কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। প্রথমার্ধে কাওরু মিতোমার  গোলে সমতায় ফেরে ব্রাইটন। শেষ পর্যন্ত ইনজুরি টাইমের গোলে দুই দলই এক পয়েন্ট করে পায়।

এই ড্রয়ে রেলিগেশন জোনে নেমে গেছে টটেনহাম। ১৯৭৭ সালের পর প্রথমবার অবনমন এড়াতে কঠিন লড়াইয়ের সামনে দলটি। কোচ রবার্তো ডি জারবি অবশ্য এখনো আশাবাদী—বাকি পাঁচ ম্যাচ জিতলেই পরিস্থিতি ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করেন তিনি।