যুব ও ক্রীড়া, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
বক্তব্য রাখছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।    ছবি: আরটিএনএন

প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে মাঠ সংকট দূর করাই আমাদের লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। 

সোমবার (৬ এপ্রিল) সাফ জয়ী ফুটবলারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ২৬ মার্চ আমরা সাবেক খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলা করছিলাম। তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ খেলার মাঠে উপস্থিত হন। এটি বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসে বিরল একটি ঘটনা। তিনি যদি আগে জানাতেন, হয়তো দর্শক দিয়ে পুরো গ্যালারি ভরে দিতে পারতাম। কিন্তু তার পরিবারসহ তিনি এতটাই ক্রীড়াবান্ধব যে হঠাৎ মাঠে এসে খেলোয়াড় ও বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে উজ্জীবিত করেছেন। এজন্য আমি আন্তরিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি আরও ঘোষণা দেন, আগামী ৩০ এপ্রিল আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সিলেট থেকে একই দিনে ৬৪ জেলায় নতুনভাবে স্পোর্টস উদ্বোধন করবেন। এতে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, দাবা, এটলেটিক্স, কাবাডি ও মার্শাল আর্টসহ সাতটি ইভেন্টের অংশগ্রহণ থাকবে। পরবর্তী অর্থবছর থেকে আরও অন্যান্য খেলা তালিকাভুক্ত করা হবে। অংশগ্রহণ করবে ১২–১৪ বছরের কিশোর-কিশোরীরা, যেখানে ছেলে-মেয়েদের সমান সুযোগ দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই মাঠে, পাড়া-মহল্লায় যেখানে খালি স্থান আছে, সেখানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খেলার সুযোগ তৈরি করা হোক। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার করলেও মাঠের অভাব এখনও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মাঠ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইতিমধ্যেই ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন খালি স্পট পরিদর্শন করে দখলকৃত স্থান মুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, সম্প্রতি একটি দৈনিকে লালবাগের ২৪নং ওয়ার্ডে একটি পার্কের ছবি দেখলাম। মাটি জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। প্রধানমন্ত্রী সেই ছবি দেখেই আমাকে নির্দেশ দেন, ‘আগামীকালই ব্যবস্থা নাও।’ আমরা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে ওই পার্কে গিয়ে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করেছি। আশা করি আগামী তিন দিনের মধ্যে সেখানে সুন্দর টার্ফ বসানো হবে।

আমিনুল হক বলেন, মাঠ হচ্ছে খেলাধুলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।