সিরিজ সেরা হয়েছেন ডাফি
সিরিজ সেরা হয়েছেন ডাফি।   ছবি: সংগৃহীত

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়েই শেষ হলো নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া মৌসুম। ম্যাট হেনরি ও উইলিয়াম ও’রোর্কের মতো অভিজ্ঞ পেসারদের অনুপস্থিতিতে এই সিরিজে বল হাতে আলো ছড়ালেন জ্যাকব ডাফি। তিন ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়ে তিনি ছিলেন কিউইদের প্রধান অস্ত্র। শেষ টেস্টে ৩২৩ রানের বড় ব্যবধানে জিতে সিরিজ ২–০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিল নিউজিল্যান্ড।

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের ৫৭৫ রানের জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ লড়াকু পারফরম্যান্স দেখিয়ে তুলেছিল ৪১৩ রান। তবে ৪৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে পুরোপুরি ভেঙে পড়ে ক্যারিবীয়রা। কোনো উইকেট না হারিয়ে ৮৭ রান তুলে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিলেও এরপর মাত্র ৫১ রানের ব্যবধানে হারায় শেষ ১০ উইকেট। শেষ পর্যন্ত ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে বড় ব্যবধানে হারের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।

আগের দিনের অসমাপ্ত ইনিংস নিয়ে ব্যাট করতে নেমে জন ক্যাম্পবেল ও ব্র্যান্ডন কিং ওপেনিং জুটিতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিলেন। ক্যাম্পবেল ১৬ রানে আউট হলে ৩৩তম ওভারে ভাঙে জুটি। ইনিংসের সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন কিং। ওপেনিং জুটি ভাঙার পর আর দাঁড়াতেই পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

১১ জন ব্যাটারের মধ্যে চারজন দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছান। শেষ দিকে টেভিন ইমলাচ ১৫ রানে অপরাজিত ছিলেন, অ্যান্ডারসন ফিলিপ করেন ১০ রান।

বল হাতে ডাফি ৪২ রান খরচায় নেন পাঁচ উইকেট। এজাজ প্যাটেল যোগ করেন তিনটি উইকেট। দেশের মাটিতে দীর্ঘদিন উইকেটখরায় ভোগা এই স্পিনার ম্যাচ শেষে স্বস্তির হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়েন।

তিন ম্যাচের সিরিজে তিনবার পাঁচ উইকেট নিয়ে ডাফি জায়গা করে নিলেন নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাসে। এক সিরিজে তাঁর চেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার কীর্তি আছে কেবল রিচার্ড হ্যাডলি (৩৩ উইকেট, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে, ১৯৮৫) ও ব্রুস টেলরের (২৭ উইকেট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, ১৯৭২)। ৪০ বছর পর এক সিরিজে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি নিউজিল্যান্ডার হয়ে সিরিজসেরার পুরস্কারও উঠেছে ডাফির হাতে।

ব্যাট হাতে ডাবল সেঞ্চুরি ও সেঞ্চুরি করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন ডেভন কনওয়ে।