বাংলার ইতিহাসে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজির বঙ্গবিজয়কে কেবল একটি সামরিক অভিযান হিসেবে নয়, বরং নিপীড়িত মানুষের মুক্তির সংগ্রাম হিসেবেও মূল্যায়ন করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টির আহ্বায়ক নাঈম আহমাদ।
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজির বঙ্গবিজয়ের ৮২২তম দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “বঙ্গবিজয় ছিলো জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের বিজয়। সেন শাসনের সামাজিক বৈষম্য, বর্ণবাদী কাঠামো ও সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়নের বিরুদ্ধে এটি ছিলো এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সূচনা।”
তিনি আরও বলেন, লক্ষণ সেন-এর আমলে সমাজে চরম বৈষম্য ও অভিজাততন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে নিম্নবর্ণ ও সাধারণ জনগণ নানাভাবে বঞ্চিত ছিল। সেই প্রেক্ষাপটে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজির আগমন নিপীড়িত মানুষের কাছে নতুন আশার প্রতীক হয়ে ওঠে। নাঈম আহমাদ বলেন, “ইতিহাসের প্রতিটি পরিবর্তনের পেছনে জনগণের আকাঙ্ক্ষা কাজ করে। বঙ্গবিজয়ের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।”
তিনি দাবি করেন, বঙ্গবিজয়ের পর বাংলায় মুসলিম শাসনের বিস্তারের মাধ্যমে একটি নতুন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ধারার সূচনা হয়, যা পরবর্তীতে বাংলার বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ইসলাম গ্রহণের পথকে প্রভাবিত করে। তার ভাষায়, “আজকের বাংলাদেশ যে মুসলিম প্রধান দেশ—তার পেছনে বঙ্গবিজয়ের ঐতিহাসিক প্রভাব অস্বীকার করার সুযোগ নেই। মুসলিম শাসন, সুফি সাধকদের দাওয়াতি কার্যক্রম এবং সামাজিক সমতার বার্তা বাংলার মানুষের মধ্যে গভীর প্রভাব সৃষ্টি করেছিল।”
তিনি ইতিহাসকে সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গিতে নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে মূল্যায়নের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইতিহাস নিয়ে গবেষণা ও আলোচনা হওয়া উচিত তথ্য, দলিল ও বস্তুনিষ্ঠ বিশ্লেষণের ভিত্তিতে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলার ইতিহাসে যেসব পরিবর্তন সাধারণ মানুষের সামাজিক অবস্থান ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে বিস্তৃত করেছে, সেগুলোকে নতুন প্রজন্মের সামনে সঠিকভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!