‘দেশ ও জাতির সেবায় জান ও মালের কুরবানির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।   ছবি: আরটিএনএন

দেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে জামায়াতের সকল পর্যায়ের জনশক্তিকে দেশ ও জাতির সেবায় জান ও মালের কুরবানির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে বলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।

রবিবার (১০ মে) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলার উদ্যোগে জেলা মজলিসে শূরা, কর্মপরিষদ, জেলা ইউনিট (পুরুষ ও মহিলা) এবং উপজেলা আমীর-সেক্রেটারি ও ছাত্র ইসলামী আন্দোলনের সাবেক জনশক্তি নিয়ে পৃথক পৃথক বৈঠক ও মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

আবদুল হালিম বলেন, “দেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে জামায়াতের সকল পর্যায়ের জনশক্তিকে দেশ ও জাতির সেবায় জান ও মালের কুরবানির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে মানুষের সেবায় ভূমিকা পালন করতে হবে। আর্থিক কুরবানির মাধ্যমে সংগঠনকে মজবুত করতে হবে। 

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণেও অর্থ ব্যয় করতে হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রতি নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সমর্থনকে ধরে রাখার জন্য সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে সময়, শ্রম ও অর্থের কুরবানি বৃদ্ধি করতে হবে।”

প্রাক্তন জনশক্তির উদ্দেশে এমপি বলেন, “ছাত্র জীবনের পরিশ্রম, অভিজ্ঞতা ও ত্যাগ-কুরবানিকে বৃহত্তর আন্দোলনের মজবুতি অর্জনে কাজে লাগাতে হবে। রুকনিয়াতের সর্বোচ্চ মানে এগিয়ে আসতে হবে। 

পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন হতে হবে। মনে রাখতে হবে আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলা। জ্ঞান ও আমলের দিক থেকে অগ্রগামী হতে হবে। 

সংগঠন পরিচালনার মৌলিক ধারণা অর্জন করতে হবে। কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। ব্যক্তিগত দুর্বলতা দূর করতে হবে। শহীদি এই কাফেলায় আমরা সবাই দ্বীনি ভাই, দুনিয়ার কোনো স্বার্থ ও চাকচিক্য আমাদের যেন আলাদা না করতে পারে। আমরা একে অপরকে দোষারোপ না করে সংশোধিত হয়ে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।”

কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা আমীর জনাব মো. আব্দুল করিম (এমপি) এর সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জহুরুল হক সরকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুড়িগ্রাম জেলা আমীর অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার। 

আরও উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলার সাবেক আমীর ডা. আব্দুর রহিম সরকার, উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আব্দুল ওয়ারেছ (এমপি), জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক মাজেদুর রহমান (এমপি), রাজনৈতিক সেক্রেটারি জনাব অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম (এমপি), জেলা সহকারী সেক্রেটারি জনাব সৈয়দ রোকনুজ্জামান ও মো. ফয়সাল কবির রানা, জেলা শিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি জনাব ফেরদৌস সরকার রুম্মান, শিবিরের জেলা সভাপতি জনাব ইউসুফ আল কারযাভী, শিবিরের জেলা সেক্রেটারি জনাব মো. ফাহিম মণ্ডলসহ জামায়াত ও শিবিরের জেলা নেতৃবৃন্দ।