জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ঢল নেমেছে।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ঢল নেমেছে।   ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ঢল নেমেছে। 

রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে দলীয় সূত্র জানিয়েছে, তিন দিনের মধ্যেই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারীর সংখ্যা এক হাজার দুই শত ছাড়িয়েছে, আর জমা পড়েছে ৯ শতাধিক আবেদন।

রাজধানীর নয়াপল্টনে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই নারী প্রার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত নেত্রীদের পাশাপাশি শিক্ষক, আইনজীবী, উদ্যোক্তা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরাও মনোনয়ন দৌড়ে শামিল হয়েছেন।

আজ নির্ধারিত সময়সীমার শেষ দিনেও ছিল উপচে পড়া ভিড়। নির্দিষ্ট সময়ের পরও আবেদন গ্রহণ অব্যাহত রাখা হয়, এবং যারা সময়মতো জমা দিতে পারেননি তাদের জন্য সময় আরও বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে প্রার্থীদের এই বিস্তৃত তালিকা নিয়ে দলীয় ভেতরে আলোচনা-সমালোচনাও কম নয়। দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় নেত্রীদের পাশাপাশি হঠাৎ করে নতুন মুখের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে, কিছু মনোনয়নপ্রত্যাশীর সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগাযোগের বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রার্থী চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে কেবল জনপ্রিয়তা নয়, বরং সাংগঠনিক সক্ষমতা, রাজনৈতিক বোধ এবং দলের প্রতি প্রতিশ্রুতিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন পেশার মানুষের অংশগ্রহণ দলকে সমৃদ্ধ করে এবং এটি ইতিবাচক দিক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

দলটির নীতিনির্ধারকদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনের এই প্রতিযোগিতা শুধু মনোনয়ন পাওয়ার লড়াই নয়, বরং ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জানান দেওয়ারও একটি বড় সুযোগ।