কিছু লোকের ধাওয়ায় তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন, আমি পালিয়ে আসি
কিছু লোকের ধাওয়ায় তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন, আমি পালিয়ে আসি   ছবি : সংগৃহীত

তুরাগ নদের যে স্থান থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তার কাছেই নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেল পাওয়া গেছে। মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কি না, তা যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় হেফাজতে নেওয়া তাঁর ছোট ভাইয়ের বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপ জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে বলেছেন, সেদিন তাঁরা ঘটনাস্থলে কথা বলছিলেন। এ সময় কিছু লোক তাঁদের ধাওয়া করে। তাহসিফ নদে ঝাঁপ দেন। আর তিনি পালিয়ে আসেন।

পিবিআই বলছে, মরদেহ উদ্ধারের স্থান থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়।

পিবিআই কর্মকর্তারা বলছেন, রাজবাড়ীঘাট এলাকাটি মাদকের স্পট হিসেবে পরিচিত। মাদক কারবারিদের ধাওয়া খেয়ে তাহসিফ নদে পড়ে ডুবে যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পিবিআই সদর দপ্তরের বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. আবু ইউসুফ আজ বলেন, উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে তাঁরা ধারণা করছেন, মোটরসাইকেলটি তাঁরই।

উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটি রাজধানীর উত্তরখান থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার তদন্তে নৌ পুলিশকে সহায়তা করছে পিবিআই।

পিবিআইয়ের একজন পুলিশ সুপার জানান, দ্বীপকে নিয়ে গতকাল রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বলেছেন, তাঁরা ঘটনাস্থলে কথা বলছিলেন। এ সময় কিছু লোক ধাওয়া করে। তাহসিফ নদে ঝাঁপ দেন, আর তিনি পালিয়ে যান।

দ্বীপের কাছ থেকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া এসব তথ্যসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।