লম্বা ছুটি আর ঈদের আনন্দে দেশের যাত্রীরা এবার আকাশপথ বেছে নিচ্ছেন। যাত্রার স্বস্তি থাকলেও টিকিটের দাম কিছুটা ‘অস্বস্তি’ তৈরি করছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ছুটি ঘোষণা করায় ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে সৈয়দপুর, যশোর, রাজশাহী রুটে টিকিটের চাহিদা বেশি, ঈদের পর কক্সবাজারের রুটেও চাহিদা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।
এয়ারলাইন্সগুলো জানিয়েছে, ঈদের আগে প্রায় সব অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের টিকিট বিক্রি প্রায় শেষ। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা, নভোএয়ার ও এয়ার অ্যাস্ট্রা দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে দিনে প্রায় সাত হাজার যাত্রী পরিবহন করছে। ভাড়া কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় যাত্রীদের খরচ বেড়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ১৮-২০ মার্চ সৈয়দপুর রুটে ওয়ানওয়ে টিকিট ৫ থেকে ১১ হাজার টাকা পর্যন্ত। সিলেট-চট্টগ্রাম রুটেও ৫-৭ হাজার টাকার নিচে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না।
এয়ারলাইন্স কর্মকর্তারা জানান, সড়কের যানজট ও দীর্ঘ যাত্রা থেকে মুক্তি পেতে যাত্রীরা আকাশপথ বেছে নিচ্ছেন। দীর্ঘ রাস্তা পেরোতে কখনও ৫ ঘণ্টার পথ ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় নেয়। তবে জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধির কারণে টিকিটও তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল হচ্ছে।
সামি তাহমিন দেওয়ান নামের এক যাত্রী বলেন, ‘আগে বাসে যেতাম, যাতায়াতের ভোগান্তি এড়াতে এবার আকাশপথ বেছে নিয়েছি। আগে টিকিট কাটলে ভাড়া কম পড়তো।’
কিন্তু খালিদ মাহমুদ রকি বলেন, ‘ছুটির সিদ্ধান্তে দেরি হওয়ায় ৪ হাজার টাকার টিকিট কিনতে হয়েছে ৮ হাজার টাকায়। এটি কিছুটা অস্বস্তিকর।’
এখনও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-সৈয়দপুর, ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-কক্সবাজারসহ অভ্যন্তরীণ রুটে বিশেষ ফ্লাইট চালাচ্ছে। ইউএস-বাংলা, নভোএয়ার ও এয়ার অ্যাস্ট্রাও ঈদ উপলক্ষে বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে যাত্রী পরিবহন করছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ঈদে আকাশপথের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। যাত্রীর স্বস্তি এবং সময় সাশ্রয় থাকলেও খরচ বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য আকাশপথের যাত্রা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই অভ্যন্তরীণ রুটে টিকিটের প্রাপ্যতা এবং ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করা এখনও এ সেক্টরের মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!