আগামীকাল থেকে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট  ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে।
আগামীকাল থেকে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে।   ছবি: সংগৃহীত

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে। চলবে ২০ মে পর্যন্ত। সময়সূচি অনুযায়ী প্রথম দিনেই বাংলা বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের পরীক্ষায় প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হবে। এছাড়া ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৮ জুনের মধ্যে ব্যবহারিক নম্বরপত্র, উত্তরপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগে জমা দিতে হবে।

এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী রয়েছে ১৪ লাখ ১৮ হাজারের বেশি। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষার্থী ৩ লাখের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। সারা দেশে মোট ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন। 

অন্যদিকে, যানজট ও জনদুর্ভোগ কমাতে পরীক্ষার দিনগুলোতে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশসংক্রান্ত আগের নিয়মই বহাল থাকবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষার্থীদের জন্য মোট ১৪টি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে, যেখানে সময়ানুবর্তিতা, উত্তরপত্র পূরণ, প্রবেশপত্র সংগ্রহ, ক্যালকুলেটর ব্যবহার এবং মোবাইল ফোন নিষিদ্ধসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ রয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনী এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, এবং দুই অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

এছাড়া পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে সাত দিন আগে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে তথ্য সঠিকভাবে পূরণ এবং উত্তরপত্র ভাঁজ না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

বোর্ড আরও জানিয়েছে, প্রতিটি পরীক্ষার্থীকে পৃথকভাবে সৃজনশীল, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে পাস করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে, তবে পরীক্ষাকেন্দ্রে কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন আনতে পারবে না।

ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে অনলাইনে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, সব নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করলে পরীক্ষার শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকবে।