গুচ্ছভুক্ত এ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
গুচ্ছভুক্ত এ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে।   ছবি: সংগৃহীত

গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের এ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষায় পাসের হার ৩০ শতাংশ। এ ইউনিটের পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ঢাকার মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী তৌকির সিদ্দিকী ইশতি।

বুধবার সকালে ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মনজুরুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।

এ ইউনিটে মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২ শিক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৭৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ (১ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৮ জন) শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৩০ শতাংশ (৩৮ হাজার ৮৮ জন) শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। অপর দিকে ৩০ নম্বরের নিচে পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৬৯ দশমিক ৫০ শতাংশ (৮৭ হাজার ৭৪০ জন) শিক্ষার্থী। বিভিন্ন কারণে (বহিষ্কার, রোল, সেট ও শনাক্তকরণ ত্রুটি) ১১০ জনের ফল বাতিল করা হয়েছে।

সর্বোচ্চ ৮৭ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন তৌকির সিদ্দিকী ইশতি। এ বছর সর্বনিম্ন প্রাপ্ত নম্বর ছিল মাইনাস ১৪ দশমিক ২৫।

এ ইউনিটের আর্কিটেকচার বিষয়ের ফলেও পাসের হার কম দেখা গেছে। মোট ৩ হাজার ৫৬১ শিক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ১ হাজার ৫৪৬ (৪২ দশমিক ৯০ শতাংশ) শিক্ষার্থী। এই বিভাগের পাসের হার ছিল মাত্র ৯ শতাংশ (১৪০ জন)। বিপরীতে ৩০ নম্বরের নিচে পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৯০ দশমিক ৫০ শতাংশ (১ হাজার ৪০৫ জন) শিক্ষার্থী। আর্কিটেকচার পরীক্ষায় সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৫০ (রোল: ১৪৪০৮৬) এবং সর্বনিম্ন নম্বর ছিল শূন্য।

শিক্ষার্থীরা তাদের ফল দেখতে জিএসটি ওয়েবসাইটে যেতে পারবেন। পরবর্তী নির্দেশনা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে ভর্তি পরীক্ষা কমিটি।

অধ্যাপক মনজুরুল হক বলেন, "আজ এ ইউনিটের মাধ্যমে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল শেষ হয়েছে। এরপর ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে ভর্তিপ্রক্রিয়ার আগে ভর্তি–ইচ্ছুকদের কয়েক দিন ফলাফল রিভিউ করার সুযোগ দেওয়া হবে।"