বিএসইসি
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।   ছবি: সংগৃহীত

অব্যবস্থাপনা ও খেলাপি ঋণে সংকটে পড়া নয়টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) অবসায়নের সিদ্ধান্তে পুঁজিবাজারে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আটটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। এসব প্রতিষ্ঠানের সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, সম্প্রতি গভর্নরের কাছে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বিএসইসি জানিয়েছে, ব্যাংক একীভূতকরণের মতো অবসায়ন প্রক্রিয়ায় আমানতকারীদের সুরক্ষার কথা বলা হলেও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এতে হাজার হাজার বিনিয়োগকারী বিনিয়োগ হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক গত বছরের ৩০ নভেম্বর নয়টি এনবিএফআই অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি), প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ), প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস। আভিভা ফাইন্যান্স পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয়।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, এর আগে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর শেয়ার শূন্য ঘোষণার ফলে বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতার পর এনবিএফআই খাতেও একই পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন তারা।

বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সংকটের জন্য দায়ী ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনাই দায়ী। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের এতে কোনো দায় নেই। তাই অবসায়ন প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা জরুরি।

এ লক্ষ্যে বিএসইসি কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অবসায়ন সংক্রান্ত তথ্য সময়মতো বিনিয়োগকারীদের জানানো, সরকার কোনো ক্ষতিপূরণ দিলে বিনিয়োগকারীদের জন্য অংশ বর