সাতক্ষীরার কলারোয়ায় সারের চারটি ডিলারশিপ বণ্টনে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রভাব খাটিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়দের বিভিন্ন এলাকায় সারের ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, কলারোয়া পৌরসভায় হাবিবুল ইসলাম হাবিবের ভাইপো মমতাজুল ইসলাম চন্দন, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নে তাঁর শালা মুকুল, কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নে ভাইপো বাবু এবং কয়লা ইউনিয়নে বাবুর শালা তামিম সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন। কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের ডিলারশিপে বাবুর অংশীদারত্ব রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দুটি পোস্টারেও এসব ডিলারশিপধারীর নাম ও সংশ্লিষ্ট এলাকার উল্লেখ রয়েছে। পোস্টারগুলোতে ডিলারশিপ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তবে পোস্টারগুলোর তথ্য এবং অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
৮০ ডিলারশিপ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ
সাতক্ষীরার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের অভিযোগ, জেলার ৭৮টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় মোট ৮০টি সারের ডিলারশিপ বণ্টনে অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে ডিলারশিপ বণ্টন করা হয়েছে এবং এ প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া একটি পরিবারের পাঁচজনকে ডিলারশিপ দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তাঁরা।
অভিযোগকারীদের আশঙ্কা, ডিলারশিপ বণ্টনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা না হলে সার ব্যবসা প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে। এতে সার বিতরণে অনিয়ম, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং ন্যায্যমূল্যে সার পাওয়া নিয়ে কৃষকদের ভোগান্তি বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
এনসিপির নেতারা আরও অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে পরাজিত একজন ব্যক্তিকে জেলা প্রশাসনের দায়িত্ব দেওয়ার পর ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এ বক্তব্যের বিস্তারিত প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা শহর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাহিন ইসলাম তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে জেলার সারের ডিলার নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। এ জন্য তিনি জেলা প্রশাসককে দায়ী করে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
পোস্টে শাহিন ইসলাম অভিযোগ করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। পাশাপাশি ডিলারশিপ পাওয়া ব্যক্তিদের নাম কীভাবে তালিকায় এসেছে এবং এর পেছনে কোনো আর্থিক লেনদেন ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!