ঢাকায় শাপলা স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত “শাপলার শহীদগাঁথা” শীর্ষক স্মরণ ও মূল্যায়ন অনুষ্ঠানে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার, সত্য উদ্ঘাটন এবং শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাপলা স্মৃতি সংসদের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক। তিনি বলেন, “শাপলার শহীদরা শুধু কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক ছিলেন না; বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সেখানে অংশ নিয়েছিলেন। এটি ছিল সর্বজনীন আন্দোলন।” তিনি আরও বলেন, “আমরা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সম্মাননা চাই। শাপলার শহীদরা ইসলামী ও ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষায় ত্যাগ স্বীকার করেছেন।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “জাতীয় সংসদে শাপলার শহীদদের স্মরণ করা হয়েছে। শহীদদের বিষয়ে পরবর্তী দায়িত্বও সরকার গ্রহণ করবে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “৫ মে’র শাপলা আন্দোলন ছিল ঐতিহাসিক সংগ্রামের প্রতীক। দেশপ্রেমিক সর্বস্তরের মানুষ এতে অংশ নিয়েছিল।”
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন, “শহীদদের যথাযথ সম্মান দিতে না পারলে ভবিষ্যতে কেউ দেশের সংকটে জীবন উৎসর্গে এগিয়ে আসবে না।”
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, “তের দফার সঙ্গে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু দাবি উত্থাপন করা ছিল গণতান্ত্রিক অধিকার। সেদিনের দমন-পীড়ন ছিল গণতন্ত্রবিরোধী।”
অনুষ্ঠানে ‘শাপলা স্মৃতি প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর সাত বিভাগে বিজয়ী ১১০ জনের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় এবং ‘তেরো থেকে শাপলা: শাহাদাতের সিলসিলা’ শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এসময় আরও বক্তব্য দেন বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী, সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!