ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২০২৬ সালের হজ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আজ।
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২০২৬ সালের হজ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আজ।   ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২০২৬ সালের হজ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আজ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই  কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন ।

প্রথম হজ ফ্লাইটটি ১৮ এপ্রিল রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। উদ্বোধনের দিন মোট ১৪টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে, যার মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালনা করবে ছয়টি, সৌদি আরবের সাউদিয়া চারটি এবং ফ্লাইনাস চারটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে। এসব তথ্য বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে যাবেন ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন।

সব ধরনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম বলেন, আমাদের হজ ক্যাম্প প্রস্তুত। সেখানে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। প্রয়োজন অনুযায়ী চট্টগ্রাম ও সিলেট থেকেও জনবল আনা হয়েছে।
 
এদিকে প্রতি বছর ফ্লাইট শিডিউলে কিছু পরিবর্তনের কারণে হজ ক্যাম্পে কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েন হজযাত্রীরা। চলতি বছর এ সমস্যার সমাধানে আরও ভালো ব্যবস্থাপনার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সৌদি আরবের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হজ চুক্তি অনুযায়ী মোট হজযাত্রীর ৫০ শতাংশ পরিবহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বাকি ৫০ শতাংশের মধ্যে সাউদিয়া পরিবহন করবে ৩৫ শতাংশ এবং ফ্লাইনাস ১৫ শতাংশ হজযাত্রী পরিবহন করবে।

প্রি-হজ ফ্লাইট চলবে ২১ মে পর্যন্ত। এ সময়ে মোট ২০৭টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে, যার মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালনা করবে ১০২টি, সাউদিয়া ৭৫টি এবং ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৩০ মে থেকে এবং তা চলবে ১ জুলাই পর্যন্ত।