স্বাধীনতা পদক।
স্বাধীনতা পদক।   ছবি: সংগৃহীত

আজ জাতীয় পর্যায়ের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করা হবে। বিকাল ৪টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

এ বছর জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারীশিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য এ বছর পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

অন্য ১৪ ব্যক্তি হলেন— মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় দেশের টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং চ্যানেল আইয়ের পরিচালক আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।

মরণোত্তরভাবে একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা, গবেষক, শিক্ষক, চিকিৎসক ও সংস্কৃতি অঙ্গনের ব্যক্তিত্বরা।

প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে ৫টি প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে রয়েছে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কারের অংশ হিসেবে নগদ অর্থ, স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়ে থাকে।