রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুছাসাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, কারওয়ান বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ও গোপনে চাঁদা আদায়ের জন্য আট থেকে ৯টি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এ চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ ও অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরেই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়। বিদেশে পলাতক আন্ডারওয়ার্ল্ড সন্ত্রাসী দিলীপ ওরফে ‘বিনাশ’-এর নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চাঁদাবাজদের কোনো নির্দিষ্ট দল নেই। কারওয়ান বাজারের মতো বড় কাঁচাবাজারে দখল-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে তারা বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ব্যানারের আশ্রয় নেয়।’
উল্লেখ্য যে, ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুসাব্বিরকে গত ৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে তেজগাঁও থানার পশ্চিম তেজতুরি বাজারের হোটেল সুপার স্টারের পাশের একটি গলিতে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে তার স্ত্রী অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, কারওয়ান বাজার এলাকায় চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং হত্যাকাণ্ডের পূর্ণ রহস্য উদঘাটনে ডিবির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে ডিবি আরও জানায়, আসন্ন ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ডিবি ওয়ারী বিভাগের একটি আভিযানিক দল গতকাল শুক্রবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. রানা মোল্লা (২৬) ও নূর মোহাম্মদকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয়।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!