প্রয়োজনে যুদ্ধ এবং কুটনৈতিক আলোচনা দুটোই করবে ইরান: আরাগচি
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।   ফাইল ছবি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ইরান তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে যুদ্ধ এবং প্রয়োজনে কূটনৈতিক আলোচনার পথ দুইটিই ব্যবহার করবে।

বুধবার (২০ মে) তেহরানে অনুষ্ঠিত এক স্মরণসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ইরানের পররাষ্ট্রনীতি এমন একটি অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য কূটনীতি ও সামরিক শক্তি দুটিই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

এই অনুষ্ঠানটি সাবেক দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল খারাজি এবং হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ানের স্মরণে আয়োজন করা হয়। আরাগচি তাদের পেশাগত অবদান ও নৈতিক অবস্থানের প্রশংসা করেন এবং বলেন, ইরানের কূটনৈতিক কাঠামো সবসময় দেশের প্রতিরক্ষা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে।

তিনি আরও বলেন, ‘যখন ইসলামী প্রজাতন্ত্রের স্বার্থে আলোচনা, সংলাপ ও কূটনীতিতে অংশ নেওয়া প্রয়োজন হবে, আমরা সেখানে শক্তি ও দৃঢ়তার সঙ্গেই উপস্থিত হব যেমনভাবে দেশের সশস্ত্র বাহিনী প্রতিরক্ষায় দাঁড়ায়।’

আরাগচি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ের সংঘাত ও উত্তেজনার পরও ইরানের কূটনৈতিক মিশন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। তার মতে, কিছু আন্তর্জাতিক পক্ষও স্বীকার করেছে যে ইরান কূটনৈতিক ও তথ্যযুদ্ধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, ইরানের শক্তি কাঠামো চারটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে; যুদ্ধক্ষেত্র, কূটনীতি, গণমাধ্যম এবং জনগণের সক্রিয় উপস্থিতি, যা একে অপরকে সমর্থন করে রাষ্ট্রীয় অবস্থানকে শক্তিশালী করে।