পর্যটক ভিসায় পর্তুগালে যাওয়ার পর দেশটির ভেতর থেকেই পেশাগত শিক্ষা বা প্রশিক্ষণের ভিত্তিতে বসবাসের অনুমতি নেয়ার সুযোগ বন্ধ করতে যাচ্ছে ইউরোপীয় দেশটির সরকার। বাংলাদেশসহ সকল দেশের জন্য এটি কার্যকর করতে যাচ্ছে দেশটি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) এ সংক্রান্ত একটি খসড়া আইন অনুমোদন করেছে দেশটির মন্ত্রিপরিষদ।
সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার উদ্দেশ্যে বসবাসের অনুমতি পেতে হলে আবেদনকারীকে নিজ দেশের পর্তুগিজ দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে আগেই প্রয়োজনীয় ভিসা নিতে হবে। ফলে পর্তুগালে প্রবেশের পর পর্যটক ভিসা পরিবর্তন করে শিক্ষাভিত্তিক রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন করা যাবে না।
খসড়া আইনটি এখন সংসদে পাঠানো হবে। সংসদে অনুমোদনের পর এটি কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডিয়ারিও ডি নোটিসিয়াসের (ডিএন) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অনেক বিদেশি নাগরিক পর্যটক ভিসায় পর্তুগালে এসে পরে পেশাগত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে বৈধভাবে থাকার আবেদন করছিলেন। সরকার মনে করছে, এই প্রক্রিয়া অনেক ক্ষেত্রে ‘মেনিফেস্টাসাও ডি ইন্টারেস্ট’-এর বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের অন্যতম অভিবাসীবান্ধব দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ, ব্রাজিল, ভারত, নেপালসহ এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা পড়াশোনা, কাজ ও বসবাসের উদ্দেশ্যে পর্তুগালে যান। নতুন এই সিদ্ধান্তে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ওপর প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিবাসন সংশ্লিষ্টদের মতে, এখন থেকে পর্তুগালে পড়াশোনা বা পেশাগত প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে যেতে হলে নিজ দেশ থেকেই সঠিক ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা জরুরি হবে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!