সংলাপে আগ্রহী ইরান, তবে তিন বাধা না কাটলে অগ্রগতি হবে না, ইরান, আমেরিকা, যুক্তরাষ্ট্র, যুদ্ধ, হরমুজ, হরমুজ প্রণালী, অবরোধ,  জ্বালানি, তেল, সংকট, তেল সংকট, জ্বালানি সংকট,
ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান।   ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও আলোচনা চালিয়ে যেতে আগ্রহ দেখিয়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ পৃথক বার্তায় সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তবে একই সঙ্গে তারা পরিষ্কার করে দিয়েছেন, বর্তমান বাস্তবতায় কিছু বড় বাধা থাকায় আলোচনায় এগোনো সহজ নয়।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান সবসময়ই সমঝোতার পথে হাঁটতে চায়। কিন্তু কার্যকর সংলাপের পথে তিনটি বড় সমস্যা রয়েছে—প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, অন্যায় অবরোধ এবং লাগাতার হুমকি। তার ভাষায়, এসব পরিস্থিতি বদল না হলে প্রকৃত অর্থে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

অন্যদিকে পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফ যুদ্ধবিরতির প্রসঙ্গে বলেন, শুধু ঘোষণায় নয়, বাস্তবেও তার প্রতিফলন থাকতে হবে। তিনি মনে করেন, নৌ-অবরোধের মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে চাপে রাখা এবং ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুদ্ধবিরতি অর্থহীন হয়ে পড়ে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এমন পরিস্থিতিতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা সম্ভব নয়। তার মতে, সামরিক চাপ প্রয়োগ করে যেমন লক্ষ্য অর্জন করা যায়নি, তেমনি চাপ দিয়ে ইরানের কাছ থেকে কোনো ছাড় আদায়ও সম্ভব নয়।

গালিবাফ বলেন, ‘ইরানের জনগণের ন্যায্য অধিকার স্বীকার করাই এই সংকট সমাধানের একমাত্র বাস্তব পথ।’

এদিকে এক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করতে একটি সময়সীমা নির্ধারণের পরিকল্পনা করছে। পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা এখনই বলা কঠিন হলেও কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তা স্পষ্ট।

সূত্র: আলজাজিরা