মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর ইরান আক্রমণের এক মাস পর, ইয়েমেনের হুথিরা প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। দ্রুত বাড়তে থাকা এই সংঘাতে এটি একটি নতুন ফ্রন্ট, যে সংঘাতে ইতোমধ্যে হাজার হাজার মানুষ নিহত, লক্ষ লক্ষ বাস্তুচ্যুত এবং বিশ্ব অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়েছে।
ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা নিয়ন্ত্রণকারী হুথিরা শনিবার এই সংঘাতে প্রবেশ করে এবং ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলাগুলো প্রতিহত করা হয়েছে, তবে ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠীটি 'ফিলিস্তিন, লেবানন, ইরাক এবং ইরানের প্রতিরোধ ফ্রন্টগুলোর' সমর্থনে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
হুথিরা এখন পর্যন্ত এই সংঘাত থেকে বিরত ছিল, যা গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যার সময় তাদের অবস্থানের বিপরীত ছিল। তখন লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজের উপর তাদের হামলায় বছরে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ব্যাহত হয়েছিল।
সর্বশেষ এই সংঘাতে তাদের বহু-প্রত্যাশিত অংশগ্রহণ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে যান চলাচল সীমিত করে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালী বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। ফলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, ইয়েমেনের এই গোষ্ঠীটি বাব আল-মান্দেব প্রণালী অবরোধ করে আবারও লোহিত সাগরের যান চলাচল ব্যাহত করতে পারে।
ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক ইউসেফ মাওরি জানিয়েছেন, বাব আল-মান্দেব প্রণালী এই গোষ্ঠীর "তুরুপের তাস"। তিনি বলেন, "তারা ইসরায়েলকে অর্থনৈতিকভাবে চরম মূল্য দিতে বাধ্য করতে চায়। তারা ইসরায়েলের বাণিজ্য পথগুলো ব্যাহত করতে চায় এবং ইসরায়েলের আমদানি ও রপ্তানি বন্ধ করে দিতে চায়।"
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!