ইসরায়েলের কারণে আলোচনা ভেস্তে যেতে পারে, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, হুথি, আইআরজিসি, যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্য, কুয়েত, সৌদি, পাকিস্তান, আইডিএফ, মিসাইল, রাশিয়া, চায়না, ওমান, কাতার, লেবানন, হামলা, রাডার, কামাকাজি, ড্রোন, পরমাণু, শাহেদ, তেল, তেল সংকট, জ্বালানি, জ্বালানি সংকট, হরমুজ প্রণালী, হরমুজ, সুয়েজ ক্যানেল, সুয়েজ খাল, বাংলাদেশ, ড্রোন হামলা, শামিল হোসাইন, পিএসএল, shamyl hussain, karachi khing vs, weather, ওয়েদার, আবহাওয়া, Iran, America, Israel, war, oil, harmuz, suez canal, Oil, War, Harmuz, Suez,
ইরান-আমেরিকা-ইসরায়েল।   ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান সংঘাত ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা দ্রুত কমে যাচ্ছে এবং উভয় পক্ষই সংঘাতের আরও উচ্চমাত্রার দিকে এগোচ্ছে। ফলে ইসরায়েলের কারনে যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের বিশ্লেষক মোহাম্মদ এলমাসরি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি কূটনৈতিক সমাধান থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে। তার মতে, “যতই উত্তেজনা বাড়বে, ততই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান কঠিন হয়ে উঠবে।”

এলমাসরি অভিযোগ করেন, এই উত্তেজনা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইসরায়েলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ইসরায়েল যুদ্ধের অবসান চায় না এবং সাম্প্রতিক সময়ে তারা ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

তিনি আরও জানান, হামলাগুলো এখন আবাসিক এলাকা ও বেসামরিক স্থাপনায়, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়েও বিস্তৃত হচ্ছে, যা সংঘাতকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে।

এদিকে, ইরান প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, ফলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এলমাসরি সতর্ক করে বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংঘাত আরও বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সম্ভাবনা কম।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৫ দফা পরিকল্পনাকে “আত্মসমর্পণের দলিলের মতো” বলে উল্লেখ করেন এবং ইরানের পাঁচ দফা প্রস্তাবের সঙ্গে এর বড় ধরনের পার্থক্যের কথা তুলে ধরেন। তার মতে, দুই পক্ষের অবস্থান এখনো অনেক দূরে অবস্থান করছে।

সূত্র: আল জাজিরা

আরবির/আরটিএনএন