ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক
হামলার পর ইরাকের রাজধানী বাগদাদের চিত্র   ছবি: সংগৃহীত

মনে হচ্ছে, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যকার বৃহত্তর আঞ্চলিক এই সংঘাতে ইরাক এখন একটি দ্বিতীয় বা বিকল্প রণক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে। হামলার শিকার হওয়া তেলের ট্যাংকার দুটিতে দক্ষিণ ইরাকের বসরা প্রদেশের উম্ম কাসর বন্দর থেকে অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) বোঝাই করা হয়েছিল। বন্দর ছাড়ার পরপরই ইরাকের জলসীমার ভেতরে বিস্ফোরক বোঝাই একটি নৌকা ট্যাংকারগুলোতে আঘাত হানে।

ইরাকি কর্মকর্তাদের দাবি, এটি ছিল ইরানের একটি বিস্ফোরক বোঝাই নৌকা। এই ঘটনাটি মূলত ইরানের দেওয়া সেই হুমকির কথাই মনে করিয়ে দেয়, যেখানে তারা বলেছিল—হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টাকারী যেকোনো তেলের জাহাজকেই তারা লক্ষ্যবস্তু করবে।

এখন পর্যন্ত ট্যাংকারগুলোর ৩৮ জন ক্রুকে (কর্মী/নাবিক) উদ্ধার করা হয়েছে এবং একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে উভয় জাহাজ মিলিয়ে ঠিক কতজন ক্রু নিখোঁজ রয়েছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ইরাকি কর্মকর্তারা বলছেন, ইরাকের ওপর চালানো এসব হামলা দেশটির অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটিতে তেল উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে; আগে যেখানে প্রতিদিন ৩৩ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হতো, তা এখন নেমে এসেছে ১০ লাখ ব্যারেলেরও নিচে। ইরাক তার রাষ্ট্রীয় বাজেটের ৯০ শতাংশেরও বেশি অর্থের জন্য তেল থেকে আসা রাজস্বের ওপর নির্ভরশীল। তাই এই হামলাগুলো দেশটির এমনিতেই চাপে থাকা অর্থনীতির ওপর এক ভয়াবহ আঘাত হানবে।

 

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই