তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফোয়াদ ইজাদি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়াটা এই যুদ্ধে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রগুলোর একটি হতে পারে। উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী পরিবাহিত মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশই এই প্রণালি দিয়ে যায়। প্রণালিটি বন্ধ করলে বৈশ্বিক অঙ্গনে ইরানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে বলে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন: "ইরান এখন জনপ্রিয়তা খুঁজছে না।"
তিনি বলেন, ইরান সরকার "নিজেদের সীমান্ত অটুট রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে চায় এবং তারা এটাও নিশ্চিত করতে চায় যে, প্রতি কয়েক মাস অন্তর ইসরায়েল ও আমেরিকানরা ইরানের ওপর যে হামলা চালায় তা যেন বন্ধ হয়।" ইজাদি যুক্তি দেখান যে, "প্রতি কয়েক মাস পরপর দুটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রের হামলার মুখে পড়ে" ইরানের পক্ষে স্বাভাবিকভাবে চলা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, তেহরান এবং এ অঞ্চলের অন্যান্যদের যে অর্থনৈতিক ক্ষতি করা হয়েছে, "তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।"
তিনি বলেন, "গত ১২ দিনে ইরানের শত শত কোটি (বিলিয়ন) ডলারের ক্ষতি হয়েছে... তাদের এই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।" ইজাদি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইরান যতক্ষণ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ না পাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকতে পারে।
তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেন, "এই আর্থিক দিকটির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি আগামী আরও অনেক অনেক মাস ধরে বন্ধ থাকতে চলেছে।" সেইসঙ্গে তিনি যুক্ত করেন, "ইরানের সরকার পরিবর্তনের চিন্তা মূলত একটি অলীক স্বপ্ন বা দিবাস্বপ্ন।"
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!