শিলিগুড়ি, জিএসএইচডব্লিউএ, নিষেধাজ্ঞা, শিলিগুড়ির, হোটেলগুলোতে, বাংলাদেশি, পর্যটক, দর্শনার্থী,
বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির হোটেলে অবস্থানের বিষয়ে দেয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।   ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির হোটেলে অবস্থানের বিষয়ে দেয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেলিয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (জিএসএইচডব্লিউএ) ওই নিষেধাজ্ঞা করে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে শিলিগুড়ির হোটেলগুলোতে বাংলাদেশি পর্যটক ও দর্শনার্থীরা এখন কক্ষ বুকিং করতে পারবেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অ্যাসোসিয়েশন প্রাথমিকভাবে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল; যা ভিসা কেন্দ্র বন্ধের পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সব ধরনের ভ্রমণকারীর জন্য হোটেলে অবস্থান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার পর্যায়ে পৌঁছায়।

বিবৃতিতে জিএসএইচডব্লিউএ জানায়, পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িজুড়ে সদস্যভুক্ত হোটেলগুলোতে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবস্থান করা সংক্রান্ত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা ও বিধিনিষেধ তাৎক্ষণিকভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের পর গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেলিয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন সদস্য হোটেল মালিকদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটাভুটির আয়োজন করে। ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য পুনরায় বাংলাদেশিদের জন্য হোটেল বুকিং শুরু করার পক্ষে মত দেন।

জিএসএইচডব্লিউএ বিবৃতিতে বলেছে, দুই দেশের সরকার সীমান্ত পারাপারের বিধিনিষেধ শিথিল করায় অ্যাসোসিয়েশন উভয় দেশের সীমান্তসংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহারে পারস্পরিক সদিচ্ছার বিষয়টি স্বীকার করছে।

অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশি অতিথিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেও জোর দিয়ে বলেছে, ভারতের নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবার আগে। ভবিষ্যতে কোনও অসম্মানজনক কিংবা উসকানিমূলক ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে তারা দ্বিধা করবে না বলেও সতর্ক করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেও অ্যাসোসিয়েশন দৃঢ়ভাবে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে যে, দেশই সবার আগে। ভবিষ্যতে আমাদের দেশের প্রতি কোনও অসম্মান বা উসকানিমূলক বক্তব্যের ঘটনা ঘটলে আমরা আবারও কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করব না।
সূত্র: এএনআই।